বাংলার প্রতিচ্ছবি মো. আব্দুর রহিম ভাঙ্গুড়া পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক ব্যবহারের পর দিলপাশার ইউনিয়নে বেতয়ান গ্রামের আশরাফ ( ৪০) নামে এক ব্যক্তির হাতে পচন ধরেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে আক্রান্ত হাতটি কেটে ফেলতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর জীবন নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর বাড়ি পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে,পাবনার ভাঙ্গুরা শরৎনগর বাজারের জাকিয়া এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি কীটনাশক ও সারের ডিলার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট কীটনাশক রোপা আমন ধানের জন্য সংগ্রহ করেছিল। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও বিক্রেতা আব্দুল জব্বার তাঁর বাড়ি কলকতি।
অভিযোগ অনুযায়ী, মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক ব্যবহারের পর ভুক্তভোগীর হাতে পচন ধরে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভাংগুড়া সরকারি হাসপাতালে নিলে কয়েক দিন চিকিৎসা নেওয়ার পরে পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় সেখানে এখন ও চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে আক্রান্ত হাতটি রক্ষা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি হাতটি কেটে ফেলার প্রয়োজন ও হতে পারে বলছে ভুক্তভোগী ও তার স্ত্রী। ভুক্তভোগী ও তার স্ত্রী সোমবার সন্ধ্যার দিকে জাকিয়া এন্টারপ্রাইজ আব্দুল জব্বারের দোকানে এসে জানালে দোকান মালিক আব্দুল জব্বার দশ হাজার টাকা দেন চিকিৎসার জন্য এবং ভুক্তভোগীদের বলেন কাউকে যেন জানানো না হয় এটা নিয়ে। এ নিয়ে কীটনাশক মালিক ও ভুক্তভোগীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি সৃষ্টি হয় তখন আশেপাশের লোকজন জড়ো হয় সাথে সাংবাদিক সহ লোকজন তখন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহানকে জানালে উনি এসে দেখেন দোকান বন্ধ করে পালিয়ে গিয়েছে তখন ওসিকে ফোন দিয়ে মামলা নিতে বলেন এবং নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য ভুক্তভোগীদের বলা হয়। ভুক্তভোগী ও তার স্ত্রী মামলা দায়ের করার জন্য থানায় যেতে চাইলে তখন বিএনপি'র অনেক নেতা বাধা দেয় এবং মামলা করতে যেতে দেয় না ভয় ভীতি দেখিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। ভাঙ্গুরা থানা ইনচার্জ ওসি সাকিউল আজম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন মামলা করতে এখনো কেউ আসেনি মামলা করলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।