বাংলার প্রতিচ্ছবি: অতিরক্ষণাত্মক কৌশল, কড়া ট্যাকল আর ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তীব্র দাবদাহ—সব বাধা পেরিয়ে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপের একমাত্র পেনাল্টি গোলেই লাতিন দলটির প্রবল প্রতিরোধ ভাঙতে সক্ষম হয় ফরাসিরা। দৃষ্টিনন্দন ফুটবলের বদলে প্রতিপক্ষের শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল ‘কুৎসিত’ ফুটবলের কড়া জবাব মাঠেই দিয়েছে দিদিয়ে দেশঁর দল।
প্রয়োজনে ‘কুৎসিত’ ফুটবল খেলতে প্রস্তুত এমবাপেরা: ম্যাচের ৭৬ শতাংশ সময় বল দখলে রাখলেও ফ্রান্সকে সুযোগ তৈরির জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে। এমবাপেকে কড়া মার্কিংয়ে রাখা ও ক্রমাগত উসকানি দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনিই ব্যবধান গড়ে দেন। এই ম্যাচে গোল করে আসরে লিওনেল মেসির ৭ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করা এমবাপে বলেন, প্যারাগুয়ের এই ঘরানার ফুটবলের জন্য তারা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রয়োজনে ফ্রান্সও 'কুৎসিত' ফুটবল খেলতে পারে এবং সেই লড়াইয়েও তারা প্রতিপক্ষের চেয়ে ভালো।
সতীর্থ ও কোচের প্রতিক্রিয়া: ম্যাচটিকে একটি ‘যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তরুণ তারকা রায়ান শের্কি এবং অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা। শের্কি জানান, প্রতিপক্ষ যদি ফুটবল না খেলে যুদ্ধ করতে চায়, তবে ফ্রান্সও সেভাবেই জবাব দিতে প্রস্তুত।
ফরাসি কোচ দিদিয়ে দেশোঁ জানান, প্যারাগুয়ে নানা কৌশলে তাদের বিরক্ত করে তোলার চেষ্টা করলেও তার দল মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে সফলভাবে নিজেদের সামলে নিয়েছে। এমন ফুটবল দর্শকদের মাঠে না টানলেও, দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের ফোকাস ধরে রেখে জয় আদায় করে নেওয়ায় শিষ্যদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।