বাংলার প্রতিচ্ছবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন জানান, তিন দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে সুদীপের পক্ষে তার আইনজীবী মধু সূদন দেব জামিন চেয়ে আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল সকালে বাড্ডার নিজ বাসা থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিমোর ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে লেখা ছিল, “সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।” এই ঘটনার পর মিমোর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরদিন সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল এবং গত রোববার আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে আজ তাকে পুনরায় আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ সচেতন মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মিমোর মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।