ঢাকা | ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং | বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা, অংশগ্রহণমূলক ও সমান সুযোগের পরিবেশ মূল্যায়ন করবে ইইউ

প্রকাশের তারিখ: ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২৬ ইং

ছবির ক্যাপশন:
ad728
বাংলার প্রতিচ্ছবি: আসন্ন এই জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে একটি অত্যাবশ্যক ধাপ বলে মনে করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।


আজ শুক্রবার সিলেটে ইইউর সংসদীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস এ মন্তব্য করেন। মিশনটি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে।

সিলেট প্রেসক্লাব ও সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত দুটি পৃথক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ইজাবস বলেন, ‘এই মিশনের অঙ্গীকার হলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পদ্ধতির মাধ্যমে কাজ করা, যেখানে মূল দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হয়ে সত্যিকার অর্থে পর্যবেক্ষণ করা।’


ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এ সদস্য বলেন, ‘মিশনের মূল্যায়ন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর কেন্দ্রীভূত—নিরাপত্তা, অংশগ্রহণমূলক এবং সমান সুযোগের পরিবেশ।”

তিনি বলেন, ‘প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে নিরাপত্তা—পর্যবেক্ষকরা দেখবেন মানুষ কতটা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছেন এবং নাগরিকদের অংশগ্রহণ কতটা নিরাপদ। দ্বিতীয়ত, প্রক্রিয়াটিতে বাংলাদেশের সব নাগরিক গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তি, যার মধ্যে নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ও রয়েছে। আর সবশেষে, সমান সুযোগের পরিবেশ—বিশেষ করে প্রার্থীদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শর্তগুলো কতটা সমান।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান বিশ্ব এক ধরনের গতিশীল অবস্থার মধ্যে রয়েছে এবং বড় বড় ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটছে। এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ইইউর কৌশলগত অগ্রাধিকার হলো সারা বিশ্বে পূর্বানুমানযোগ্য, গণতান্ত্রিক ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার নিশ্চিত করা।’


তিনি জানান, ইইউ নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। 

এরপর প্রায় দুই মাস পর নির্বাচন ঘিরে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে একটি বিস্তারিত ও তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
কমেন্ট বক্স