বাংলার প্রতিচ্ছবি: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘গত ১৫ বছর আমরা ভোট দিতে পারিনি। সে সময় আগের রাতেই ভোট হয়ে গেছে। সব ভোট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা নিয়ে গেছে। এখন একটা সুযোগ এসেছে। এবার সুষ্ঠু ভোট হবে আশা করছি। ভোটাররা স্বাধীনভাবে যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পারবেন।’
তিনি বলেন, ‘এবার নৌকা না থাকলেও আমাদের একটি প্রতিপক্ষ দল আছে। সেটি হলো দাঁড়িপাল্লা। ১৯৯১ সালে আমরা দাঁড়িপাল্লাকে দেখেছিলাম। সেসময় তারা খুব কম ভোট পেয়েছিল। এবার তারা এই নির্বাচনে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে নির্বাচন করছে।’
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের মোলানি বাজারে নির্বাচনি গণসংযোগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শান্তি ফিরিয়ে আনা। যা কেবল বিএনপির পক্ষেই সম্ভব। বিএনপি পরীক্ষিত দল। আমি আপনাদের ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত। দীর্ঘদিন আপনাদের সঙ্গে কাজ করেছি। কখনও ছেড়ে যাইনি। আগামী নির্বাচনে আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন তাহলে জেলার উন্নয়নে কাজ করবো।’
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা তাদের লোকদের ফেলে চলে গেছে দিল্লি। হিন্দু ভাইয়েরা আপনারা চিন্তা করবেন না। আমরা সেই বিপদ থেকে আপনাদের উদ্ধার করবো। যারা অন্যায় করেছে তাদের শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, যারা সাধারণ মানুষ; তাদের বুকে টেনে নেবো।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আমাদের নতুন নতুন কলকারখানা তৈরি করতে হবে। মানুষের চিকিৎসার জন্য ভালো হাসপাতাল তৈরি করবো। কম দামে মানুষকে ওষুধ দেবো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তভাবে গড়ে তোলা হবে। এটা আমার শেষ ভোট, আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। এই শেষ ভোটে দয়া করে আপনারা আমাকে সমর্থন দিয়ে, ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করার সুযোগ দেবেন।’