বাংলার প্রতিচ্ছবি : চোট আর নেইমার যেন একে অপরের সমার্থক শব্দ। গত কয়েক বছর ধরেই একের পর এক চোটে তার ক্যারিয়ার একপ্রকার স্থবির হয়ে গেছে। মার্চের আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে কলম্বিয়া এবং আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে তাকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন ব্রাজিল কোচ দরিভাল জুনিয়র। কিন্তু ম্যাচের সপ্তাহখানেক আগে ফের দল থেকে ছিটকে গেলেন ব্রাজিল ফুটবলের এই পোস্টারবয়।
নেইমার ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে। উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর এক বছরের বেশি সময় তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। যে কারণে তার সঙ্গে নতুন করে চুক্তিতে যেতে আগ্রহ দেখায়নি সৌদি আরবে তার ক্লাব আল হিলাল। অতিরিক্ত চোট প্রবণ হওয়ায় নেইমারকে নিয়ে আগ্রহ কমেছে ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোরও। যে কারণে একরকম বাধ্য হয়েই শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরতে হয়েছে তাকে। তবে সেই যাত্রাটাও সুখকর হলো কই। ক্লাবটির হয়ে ৭ ম্যাচ খেলেই চোটে পড়েছেন তিনি।
দল থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নেইমার লিখেছেন, ‘(আন্তর্জাতিক ফুটবলে) ফেরার খুব কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দায়িত্বের জার্সিটি এবার পরতে পারব না। আমাদের অনেক আলোচনা হয়েছে এবং সবাই জানে ফেরার জন্য আমি কতটা উন্মুখ। তবে আমরা ঝুঁকি না নেওয়ার জন্য ঐক্যমতে পৌঁছেছি, যাতে আমি আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং আমার চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে পারি।’
‘যারা আমার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন, তাদের সকলকে ধন্যবাদ। এটা প্রক্রিয়ার অংশ’-যোগ করেন তিনি।
নেইমারের জায়গায় দলে ডাকা হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড এনদ্রিককে। এই তরুণ কতটা মেলে ধরতে পারেন নিজেকে, নেইমারের অভাব পূরণ করতে পারেন কতটা; সেটাই এখন দেখার।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ আমেরিকান বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ১২ রাউন্ড শেষে পয়েন্ট তালিকায় ৫ নম্বরে আছে ব্রাজিল। বৃহস্পতিবার ব্রাসিলিয়ার গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে দলটি খেলবে কলম্বিয়ার বিপক্ষে। এরপর বুয়েনস এইরেসে গিয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ ২৬ মার্চ।