খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তেজগাঁও কলেজে প্রভাষক থেকে পদোন্নতির ক্ষেত্রে একটি মৌখিক সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এরপর মোট ৭ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। যাদের জ্যেষ্ঠতার ক্রম নং, ৮৯-শামীম আক্তার খান, ৯২- সৈয়দা সামজিলা আতিক, ১০৬-মো: এরশাদ আলী রহমান, ১১৩-নওরীন সাজ্জাত, ১১৯-মোহাম্মদ আসাদ্দুজ্জামান, ১২৮-এবাদত হোসেন, ১৩২-এ.বি.এম ফয়েজুল মবিন। কিন্তু সাধারন শিক্ষক এবং পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা জানিয়েছেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা ও ন্যয্যতা না মেনে অন্যায় ভাবে এটি করা হয়েছে। যা সম্পুর্নভাবে পদোন্নতি নীতিমালার পরিপন্থী। এটি নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোব ও আতংক বিরাজ করছে।
একটা প্রশ্ন তাদের ভিতর উঁকি দিচ্ছে, এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আগামীতে তাদের যোগ্যতা থাকলেও অদৃশ্য কারনে একই ভাবে বঞ্চিত হতে পারেন। ।
তাদের দাবি, বৈষম্যে বিহীন বাংলাদেশ বির্নিমানের আন্দোলনে তেঁজগাও কলেজের অবদান অনস্বীকার্য, ঠিক ১ বছরের মাথায় সেই কলেজের ভিতরে যারা বৈষম্যেবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত থেকেছেন তারাই আজ অদৃশ্য কারনে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন নিজ কলেজে। যা বৈষম্যেবিরোধী আন্দোলনকে কলঙ্কিত করছে।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে একজন পদোন্নতি বঞ্চিত প্রভাষক জানান, এভাবে নিয়ম না মেনে পদোন্নতি দেওয়া সম্পুর্ন অন্যায়।আমি এটার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানায়।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে অপর একজন জানান, এই পদোন্নতিতে জামাত পন্থিদের অগ্রধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো যোগ করেন রাবিতে উপ-উপচার্য নিয়োগে জামাতনেতার সুপারিশকৃত ডকুমেন্টের ঘটনাটি।
এই বিষয়ে পদন্নোতি প্রাপ্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান কে ফোন দিলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমাদের পদন্নোতির বিষয়ে ৩ জন জানেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেছুর রহমান স্যার, তিতুমীর স্যার এবং পিন্সিপল ম্যাডাম। যা বলার উনারা বলবেন।
এ বিষয়ে অধ্যক্ষ শামিমা ইয়াসমিন কে কল দিলে প্রথমে না ধরলেও পরেরবার রিসিভ করে আবার কেটে দেন। তারপর মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। মোবাইল নাম্বারে এবং হোয়াটস আ্যপে খুদে বার্তা দিলে তিনি কোন উত্তর দেন নি রির্পোট লেখা পর্যন্ত।