ঢাকা | ০৩ মার্চ ২০২৬ ইং | বঙ্গাব্দ

হারলেও শেষ পর্যন্ত বীরের মতো লড়েছে বাংলার বাঘিনীরা

প্রকাশের তারিখ: মার্চ ৩, ২০২৬ ইং

ছবির ক্যাপশন:
ad728
বাংলার প্রতিচ্ছবি: সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামের দর্শকধারণ ক্ষমতা হাজার বিশেকের বেশি। নারী এশিয়ান কাপ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ও চীনের ম্যাচে ছয় হাজারের বেশি দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও সবচেয়ে বেশিবারের চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের এশিয়ান মঞ্চের অভিষেক ম্যাচের স্বাক্ষী হয়েছেন কয়েক হাজার বাংলাদেশি প্রবাসীও। চীনের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত বীরের মতো লড়াই করে ২-০ গোলে হেরেছে বাংলার বাঘিনীরা।

স্কোরবোর্ড বলছে চীন জিতেছে।ভালো ফুটবল খেলেই জিতেছে। কিন্তু বাংলাদেশও একেবারে ছেড়ে কথা বলেনি। সামর্থ্যের সবটুকু দিয়েই লড়াই করেছে। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৭তম চীনের বিপক্ষে ১১২ তম বাংলাদেশের ম্যাচে ফল কী হতে পারে সেটা তো বোঝাই যায়। ফলটা বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশামতো হলেও বাংলাদেশ দলেরও তৃপ্তির জায়গা আছে।

মেয়েদের এশিয়ান কাপে ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীন তাদের সর্বশেষ ১০ ম্যাচে ২৬ গোল করেছে। অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি ২.৬ টি করে গোল করেছে চীন। সেখানে র‍্যাঙ্কিংয়ে যোজন ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও বাংলাদেশ হজম করেছে মাত্র দুই গোল। প্রথমার্ধে ৪৪ ও ৪৬ মিনিটে গোল দুটি হজম করে। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম না করাটা তো এক অর্থে বাংলাদেশের জন্য মনস্তাত্ত্বিক জয়ই।

ম্যাচের ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণার বাঁ পায়ের দুরপাল্লার শট জালে পৌঁছালে হয়তো আরও বেশি তৃপ্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারত বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দুরপাল্লার শট নিয়ে গোলের চেষ্টা করেন ঋতুপর্ণা। ম্যাচে বেশির ভাগ সময়ই রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত সময় পার করেছে বাংলাদেশ। গোল হজমের দুটি মুহূর্ত ছাড়া এই কাজে পুরো ম্যাচে বাংলাদেশকে সফল বলাই যায়।

৪৪ মিনিটে চীনের হয়ে গোল করেন ওয়াং সুয়াং। ৪৬ মিনিটে গোলটি ঝ্যাং রুইয়ের।এরপর আর কোন গোলের দেখা পায়নি কেউ।

‘বি’ গ্রুপ থেকে এই জয়ে ১ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পেল চীন (‍+২)। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে থাকা উত্তর কোরিয়া (‍+৩) গোল ব্যবধানে চীনের সঙ্গে এগিয়ে। ১ ম্যাচে শূন্য পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশ (–২) তৃতীয়। সমান ম্যাচে শূন্য পয়েন্ট পাওয়া উজবেকিস্তান (–৩) চতুর্থ।

কমেন্ট বক্স