ঢাকা | ৩১ অগাস্ট ২০২৫ ইং | বঙ্গাব্দ

বিদেশি ক্রিকেটারদের এনসিএলে আনতে চায় বিসিবি

প্রকাশের তারিখ: Jul ২৮, ২০২৫ ইং

ছবির ক্যাপশন:
ad728
প্রতিদিনের বাংলার প্রতিচ্ছবি : বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)-কে আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করতে আবারও বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এনসিএল। দীর্ঘদিন ধরে এই লিগে বিদেশি ক্রিকেটার না থাকলেও, একসময় প্রতিটি দলে একজন করে বিদেশি ক্রিকেটার খেলার সুযোগ পেতেন। এবার সেই ব্যবস্থাই ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি।

একজন বিসিবি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ক্রিকবাজকে জানায় বোর্ডের অনুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়ায় আছে এখন ব্যাপারটি, যাতে এনসিএলের প্রতিটি দলে একজন বিদেশি খেলোয়াড় রাখা যায়। বিসিবি কর্মকর্তার দাবি আগের এই নিয়ম স্থানীয় ক্রিকেটারদের উন্নয়নে সহায়ক হয়েছিল।

বিশেষ করে গ্রাসি উইকেটে খেলানোর নীতির প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ কার্যকর হতে পারে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন এনসিএলে ঘাসযুক্ত পিচ তৈরি করি। যদি কোনো দলে একজন দক্ষ বিদেশি পেসার থাকে, তাহলে সেটা স্থানীয় ব্যাটারদের স্কিল ডেভেলপমেন্টে সহায়ক হবে।’

তবে বড় চ্যালেঞ্জ এখন বিদেশি ক্রিকেটারদের পাওয়া, কারণ একই সময় ভারতে রঞ্জি ট্রফি এবং পাকিস্তানে কায়েদ-ই-আজম ট্রফি চলে। ফলে ওই অঞ্চলের খেলোয়াড়দের পাওয়াটা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন বিসিবি কর্মকর্তারা। বিকল্প হিসেবে তারা অন্যান্য দেশের খেলোয়াড়দের দিকে নজর দিচ্ছেন।

এদিকে, বিসিবির প্রোগ্রাম প্রধান মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানিয়েছেন, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এনসিএল টি-টোয়েন্টি, যা দিয়েই শুরু হবে এবারের ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম।

তিনি বলেন, ‘গত বছর সময় কম থাকায় একটি ভেন্যুতে আয়োজন করেছিলাম। এবার তিনটি ভেন্যুতে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।’

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরের ৪ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে বিসিএল-এর ৫০ ওভারের সংস্করণ, যেটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক হবে।

তবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বিসিএলের চার দিনের আসর, যা অনুষ্ঠিত হবে বিপিএলের পর, ফেব্রুয়ারিতে।

বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, এবারের আসরে একটি বিদেশি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে, এবং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে ভাবা হচ্ছে আফগানিস্তানের ‘এ’ দল বা হাই পারফরম্যান্স ইউনিটকে।

বিসিবির এই সব পরিকল্পনা এবং উদ্যোগের পেছনে রয়েছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করে তোলা এবং আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশে ক্রিকেটারদের প্রস্তুত করা। এনসিএল ও বিসিএলকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে বিসিবির এসব উদ্যোগ সত্যিই ক্রিকেটপ্রীতিদের আশাবাদী করে তুলছে।
কমেন্ট বক্স